আমাদের অ্যম্বাসেডর

অ্যাকসেস এগ্রিকালাচার-এর অ্যম্বাসেডরেরা হলেন স্বেচ্ছাসেবী, যাঁরা তাঁদের নিজের নিজের দেশে অ্যাকসেস এগ্রিকালাচার-এর কাজ করেন।

উগান্ডা
কঙ্গো
কোট ডি'ভোয়ার
ক্যামেরুন
ঘানা
জিম্বাবুয়ে
তাঞ্জানিয়া
নাইজিরিয়াদেশ
বাংলাদেশ
বেনিন
ভারত
মালাউই
মালি
ম্যাডাগ্যাস্কার
রুয়ান্ডা
লাইবেরিয়া

বাংলাদেশ

অনারারি অ্যাম্বাসেডর ফর এশিয়া
শেখ তানভীর হোসেন
শেখ তানভীর হোসেন জাপানের ‘এহমি বিশ্ববিদ্যালয়’ থেকে কৃষিতে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি জাপানের টোকিও-তে এশিয়ান প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেসন (এপিও0 নামে একটি আন্ত-সরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব অর্গানিক অ্যাগ্রিকালচারাল মুভমেন্টস (আইএফওএএম) থেকে তিনি ২০১১ সালে ‘অর্গানিক ফার্মিং ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড’ এবং ২০১৫ সালে ‘হিভোস সোশাল ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেন। তিনি আইএফওএএম-এশিয়ার প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট। বর্তমানে তিনি সাসটেইনেবল অর্গানিক অ্যাগ্রিকালচার অ্যাকশন নেটওয়ার্ক([এসওএএএন)-এর পরামর্শক দলের একজন সদস্য।
হারুন-অর-রশিদ
বাংলাদেশ কৃষি বিশ^বিদ্যালয় থেকে ‘অ্যাগ্রোনমি’ বিষয়ে এমএসসি ও যুক্তরাজ্যের রিডিং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ক্রপ ফিজিওলজি’-তে আরেকটি এমএসসি ডিগ্রি নেন। বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অ্যাজেন্সিসহ এনজিও, জাতীয়, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও প্রাইভেট সেক্টরে তিনি কৃষি সম্প্রসারণ ও ‘রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ নিয়ে ৩৫ বছর ধরে কাজ করছেন। হারুন-আর-রশিদ বাংলাদেশের একটি অগ্রসরমান কৃষিভিত্তিক এনজিও, ‘অ্যাগ্রিকালচারাল অ্যাডভাইজারি সোসাইটি’ -এর প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ২০০৫ সাল থেকে সারাদেশে ‘কৃষক থেকে কৃষক’ প্রশিক্ষণ ভিডিওগুলোর বিতরণ করে আসছেন।

বেনিন

বোকোসা থাইবার্স সিওডাইন
একজন জৈব-পরিসংখ্যানবিদ। এ-বিষয়ে তিনি মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। কৃষি-বিষয়ক তথ্য সংগ্রহ এবং প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে তাঁর অভিজ্ঞতা পাঁচ বছরের বেশি এবং বর্তমানে তিনি বেশ কিছু কৃষি-প্রকল্পে কাজ করছেন। অ্যাকসেস এগ্রিকালচার অ্যাম্বাসেডর হিসেবে তিনি কৃষি-শিক্ষার্থীদের কৃষিকাজ শেখার পাশাপাশি কৃষি-ব্যবসায় শুরু করতে অ্যাকসেস এগ্রিকালচার ভিডিও প্ল্যাটফর্মকে কাজে লাগিয়ে উৎসাহ দেওয়ার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মালিকি অগ্নোরো
অ্যাবোমে-কালাভি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিবিজ্ঞান বিভাগের একজন স্নাতক। তিনি একজন তরুণ ‘বেনিনেজ’ পেশাদার, যাঁর যুব উদ্যোক্ত উন্নয়ন এবং গ্রামীণ উন্নয়নে এক দশকের কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাঁর বর্তমান লক্ষ্য হলো, তিনি অ্যাকসেস এগ্রিকালচারের প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য কার্যকর কৃষি-প্রশিক্ষণ এবং গ্রামীণ ব্যবসায়ের উন্নয়নে কাজ করা।
মহুগনো নেহেমিয় কোতোবিডিজো
বেনিনের পারাক্যু বিশ্ববিদ্যালয়ের চাষাবাদ অনুষদ থেকে কৃষিবিজ্ঞানে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি কীভাবে গ্রামীণ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা যায় এ-বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করছেন। তার লক্ষ্য হলো, গ্রামীণ বিশ্বের টেকসই রূপান্তর ঘটানো এবং সেটা তিনি করতে চান অ্যাকসেস এগ্রিকালচারের ভিডিগুলোতে যে উদ্ভাবনী সমাধান দেখানো হয় সেগুলো প্রচারের মাধ্যমে।
রোমাল্ড উলরিচ আসোগবা
গ্রামীণ অর্থনীতি ও সম্প্রসারণ বিভাগে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং বেনিনের অ্যাবমি-ক্যালাবি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বিজ্ঞান অনুষদ থেকে কৃষি সম্প্রসারণ এবং পরামর্শে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি বর্তমানে জৈব ও পরিবেশগত কৃষিচাষের প্রচারে কাজ করছেন। কৃষি পরামর্শ সম্পর্কে উত্সাহী, বিশেষত জৈব চাষ, তিনি জৈব ও পরিবেশগত কৃষি সম্পর্কিত তদারকি ও পরামর্শ এজেন্সি (ASCABE) তেও কর্মরত এবং বেনিন অ্যাসোসিয়েশন অফ এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন অ্যান্ড কনসালটিং প্রফেশনালসের (এবিপিভিসিএ) ফাউনডেশনর সদস্য। অ্যাকসেস এগ্রিকালাচার-এর অ্যম্বাসেডর হিসেবে রোমুয়াল্ড জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কৃষি সম্প্রসারণ এবং উত্পাদনকারী উভয় ক্ষেত্রে কৃষি প্রশিক্ষণের জৈব ও পরিবেশগত ভিডিও প্রচার করতে চান।
জিন-জ্যাকস সেনৌ ওসেনি জিনসৌ
বেনিনে কৌশল এবং ব্যবসায়িক রূপান্তরের বিশেষজ্ঞ পরামর্শদাতা। তিনি নিয়মিত ওয়েবসাইট, সংবাদপত্র, রেডিও স্টেশন, টিভি স্টেশনগুলিতে কৃষি তথ্য প্রেরণ করেন। তিনি কৃষি সম্পর্কিত বিষয়গুলি নিয়ে ব্লগ করেন এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলগুলির জন্য লেখেন। একটি দলের সহায়তায় তিনি তালিকাভুক্ত পার্টনারদের জন্যএকটি ওয়েব প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার পরিকল্পনা করছেন। তিনি এবং তার দল কৃষি পরামর্শ সম্পর্কে কথা বলতে একটি স্থানীয় পত্রিকার কলাম স্থাপনের জন্য আলোচনা করছেন। তারা স্থানীয় রেডিওতে একটি কৃষি উপদেষ্টা প্রোগ্রাম এবং একটি কৃষি টিভি প্রোগ্রাম চালু করার পরিকল্পনা করছেন। এর অংশ হিসাবে তারা কৃষি মূল্য চেইনের উপর একটি প্রোগ্রামের প্রচারের জন্য বিবি২৪ টিভি চ্যানেলের সাথে আলোচনা করছেন। যুবক এবং মহিলাদেরকে উদ্দেশ্য করে জিন-জ্যাক বিভিন্ন যোগাযোগের চ্যানেল এবং নেটওয়ার্কগুলির মাধ্যমে অ্যাক্সেস এগ্রিকালচার এবং এগটিউব ভিডিও প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে তাদের অবহিত করতে চান।
নিমাতৌ কৌরোতা
বেনিনের কোটোনোর আফ্রিকান প্রযুক্তি ও পরিচালনা বিশ্ববিদ্যালয় (ইউএটিএম) জিএসএ-এর একজন বায়োটেকনোলজির প্রযুক্তিবিদ, বিশেষত কৃষিব্যবস্থায় বিশেষজ্ঞ । অ্যাক্সেস এগ্রিকালচার অ্যাম্বাসেডর হিসাবে তিনি অ্যাক্সেস এগ্রিকালচার ভিডিও এবং উদ্ভাবন প্রচারের মাধ্যমে বেনিনে কৃষিকে সম্প্রসার করার পরিকল্পনা করছেন।

কঙ্গো

জিন ব্যাপটিস্টে মুসাবায়মান নটমুগাবুমে
ডিআরসি-তে সিইপিআরওএমএডি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংগঠনিক যোগাযোগ বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ২০০৬ সাল থেকে ফেডারেশন অব অরগানাইজেশন অব এগ্রিকালচার প্রোডিউসার অব কঙ্গো, এফওপিএসিএনকে-এর শিক্ষা এবং তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৮ সালে তিনি অ্যাসোসিয়েশন অব এগ্রিকালচার জার্নালিস্ট অব কঙ্গো, এজেএসি-এর জাতীয় সমন্বয়কারী নিযুক্ত হন। কৃষিপণ্যের উন্নত উৎপাদনের জন্য তিনি ডিআর কঙ্গোতে অ্যাকসেস এগ্রিকালচারের ভিডিও ও অডিওগুলো কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয় করে তোলার মিশন হাতে নিয়েছেন।
ফোলো এমভম্বি রজার
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো-র টেকনিক্যাল স্কুল অব হায়ার এডুকেশন থেকে ব্যবস্থাপনায় পাণ্ডিত্য লাভ করেন। তাঁর সাংবাদিকতায় ডিপ্লোমা রয়েছে এবং তিনি কৃষি ও জলবায়ু পরিবর্তনের ওপর বেশ কিছু প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেছেন। তাঁর এনজিও অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট অব এনগান্ডা টিসানডি অ্যাডেরিগাস-এর সভাপতি পদে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি মেউম্বি কোকোমা কোকোয়া কো-অপারেটিভ-এর যোগাযোগ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন এবং বর্তমানে তিনি ডিআরসিওএনজিও এএসএসএ-এর জাতীয় নির্বাহী সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি তাঁর দেশে এবং আফ্রিকার উপ-অঞ্চলে গণমাধ্যমে এবং একজন উন্নয়নকর্মী হিসেবে ভিডিও প্রচারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছানোর ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।

ক্যামেরুন

ভয়ে বাইনা মোডেস্তে
একজন এগ্রো-জোটটেকনিশিয়ান, এবং ইন্টিগ্রেটেড রুরাল ডেভলপমেন্ট বিষয়ে মাস্টার্স সহ একজন পিএইচডি শিক্ষার্থী। তিনি যুব এগ্রোপেস্টোরাল এন্টারপ্রেনারশিপ প্রমোশন প্রোগ্রাম (পিইএ-জিউনেস) এর একজন ব্যবসায়িক উপদেষ্টা। এই পিইএ-জিউনেস প্রোগ্রামে, তিনি সদ্য তরুণ উদ্যোক্তাদের কৃষিকাজে তাদের ব্যবসায়ের উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণে সহায়তা করেন। এই কর্মসূচিতে বর্তমান পাঁচ হাজার তরুণ উদ্যোক্তা রয়েছে এবং এই সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। তিনি গ্রামীণ বিকাশে বিভিন্ন কাঠামোর বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন: কৃষি-পশুপালীয় উদ্যোক্তা, কৃষি-গৃহপালিত খামার ক্রিয়াকলাপকে সহায়তা এবং পরামর্শ প্রদান এবং সামাজিক কার্যক্রম যুক্ত রয়েছেন। একজন অ্যাম্বাসেডর হিসাবে তিনি কৃষিক্ষেত্রে তার প্রফেশনাল নেটওয়ার্কগুলিতে (যেমনঃ ফ্যাসা এলুমনি) অ্যাক্সেস এগ্রিকালচারের কার্যক্রম প্রচার করতে চান।

ঘানা

আবুবাকারি সাদিক তামিনু
বর্তমানে ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত রয়েছেন। তিনি ঘানার উত্তরাংশে কৃষি অনুশীলন বিষয়ে গবেষণা ও প্রশিক্ষণে নিযুক্ত ছিলেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে এই অভিজ্ঞতার মাধ্যমে গ্রামীণ কৃষকদের সাথে তার যোগাযোগ দক্ষতা এবং উদ্ভাবনী শক্তি বৃদ্ধি পেয়েছে। অ্যাক্সেস এগ্রিকালচার অ্যাম্বাসেডর হিসাবে, তিনি কৃষকদের কৃষিকাজের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য অ্যাক্সেস এগ্রিকালচার প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পর্যাপ্ত তথ্য এবং জ্ঞান দিয়ে সমৃদ্ধ করতে চান।

ম্যাডাগ্যাস্কার

সিটাকিলাইনা ফিফালিয়ানাহারিন্টসো
মাদাগাস্কার আন্তানানারিভো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে খাদ্য ও পুষ্টি-বিজ্ঞানে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি এস্পেরেঞ্জা জয় অব চিল্ড্রেন নামক একটি এনজিও এবং আন্তানানারিভো বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে খাদ্যসামগ্রীর ‘ডিজাইন’ করেন এবং অপুষ্টির বিরুদ্ধে লড়াই করেন। অ্যাকসেস এগ্রিকালচার অ্যাম্বাসেডর হিসেবে তিনি কীভাবে ভালো কৃষি কাজের অনুশীলন করা যায় সে-বিষয়ে ভিডিওর মাধ্যমে কৃষকদের বিশেষত গ্রামীণ কৃষকদের উদ্ভাবনী ধারণা দিতে চান এবং এবং তাঁর নিজের অভিজ্ঞতাগুলো তাদের সাথে শেয়ার করতে চান।

মালাউই

প্যাট্রিক খোঙ্গা
কন্টিনিউয়িং এডুকেশন সেন্টার থেকে ব্যবসা পরিচালনা বিষয়ে ডিপ্লোমা অর্জন করেন। তিনি ইটালির একটি বেসরকারি সংস্থা সিআইএসপি-তে অর্থ-ব্যবস্থাপক হিসেবে আট বছর কাজ করেছেন। তিনি সিএইচএকেএইচও ফার্মের প্রতিষ্ঠাতা এবং ২০১৪ সাল থেকে এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই ফার্মটি উদ্যানচর্চা, পোল্ট্রি, গবাদিপশু ও ছাগল পালনে বিশেষায়িত এবং এটি মালাউই-এর রাজধানী শহর লিলংগোয়-তে অবস্থিত। কৃষি-ব্যবসায়ে আয় বাড়ানোর জন্য বাস্তব অভিজ্ঞতা শেয়ার করার ক্ষেত্রে ‘কৃষক থেকে কৃষক’ ভিডিওগুলো গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
মূসা কাউফা
একজন পেশাদতার গণমাধ্যম কর্মী। তিনি গণযোগাযোগ বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রোডাকশন, প্রকাশনা, কমিউনিটি ও গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্প পরিচালনা, বার্তা সম্প্রচার ও অনুবাদ, কমিউনিটি মোবিলাইজেশন ও নাগরিক শিক্ষা, কমিউনিটি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদার করা, অ্যাভোকেসি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রভৃতি বিষয়ে তাঁর দশ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। বর্তমানে তিনি ‘কৃষক থেকে কৃষক’ ভিডিও প্রোডাকশন করছেন, গ্রামীণ উন্নয়নে উদ্ভাবনী কাজকে সমর্থন জোগাচ্ছেন এবং মালাউই-তে ‘কৃষক থেকে কৃষক’ ভিডিও সম্প্রচারের কাজ করছেন। একজন অ্যাকসেস এগ্রিকালচার অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ভূমিকা পালন করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী।
প্যাট্রিক কেন কলন্ডে
এগ্রিকালচার অ্যান্ড ন্যাচারাল রিসোর্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (LUANAR) থেকে প্রাকৃতিক সম্পদ [ভূমি ও পানি] ব্যবস্থাপনায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ইয়ুথ ফর এনভায়রনমেন্টাল ডেভেলপমেন্ট-র সহ-প্রতিষ্ঠাতা। এই সংস্থাটি ‘মেরিন লিটার’ ইস্যু নিয়ে কাজ করে। তিনি বান্ডা সোসাইটি অব ইনোভেটরস-এরও সহ-প্রতিষ্ঠাতা। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক একটি ক্লাব। এই ক্লাবটি শিক্ষার্থীদের দ্বরা উদ্ভাবনীগুলোর চর্চা করে। টেকসই ভ‚মি ব্যবস্থাপনা, ‘পারমাকালচার’ এবং ভেড়া চাষে তাঁর প্রবল ইচ্ছা রয়েছে এবং এই জন্য একজন অ্যাকসেস এগ্রিকালচার অ্যাম্বসেডর হিসেবে তিনি গর্ব বোধ করেন।
জুলিয়াস মাওয়ান্ডে
লিলংওয়ে ইউনিভার্সিটি অফ এগ্রিকালচার এন্ড ন্যাচারাল রিসোর্স (LUANAR) থেকে কৃষিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি বলাকা জেলায় কৃষি কমিউনিকেশন অফিসার হিসাবে কাজ করেছেন। জুলিয়াস ২০১৭ সাল থেকে লিলংওয়েতে আইসিটি প্রো-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে আছেন, তিনি বৈদ্যুতিন যন্ত্র এবং সরঞ্জামগুলিতে বিশেষজ্ঞ। মালাউইতে ভাল কৃষিকাজকে গ্রহণ ও কৃষি অনুশীলণের উন্নতির জন্য কৃষি বার্তাগুলি ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি বিশ্বাস করেন যে মিডিয়া এবং আইসিটি হ'ল শক্তিশালী সরঞ্জাম। অ্যাক্সেস এগ্রিকালচার ভিডিও এবং অন্যান্য উপকরণের মাধ্যমে কৃষি জ্ঞান প্রচারই হ'ল জুলিয়াসের লক্ষ্য।

মালি

সিডি ইহিয়া তৌনকারা
নাইজেরিয়ার ইবাদান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণীবিজ্ঞানে ইঞ্জেনিয়ারিং ডিগ্রি এবং কৃষি সম্প্রসারণ ও গ্রামীণ বিকাশ বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। কৃষিবিদদের সাথে আলোচনা করাসহ প্রাণিসম্পদ বিষয়ে মাঠ-পর্যায়ে কাজ করার দারুণ অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। তিনি এর আগে প্যান আফ্রিকান টিসেটস অ্যান্ড ট্রাইপোনোসোমোসিস এরাডিকেশন ক্যাম্প্যাইন এবং ন্যাশনাল সেন্টার অব এগ্রোনোমিক্স রিসার্চ অব সোটুবা-তে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি মালিতে TAAT প্রকল্পে টেকনোলজি ট্রান্সফার অফিসার হিসেবে কাজ করছেন। তিনি একজন অ্যাকসেস এগ্রিকালাচার অ্যম্বাসেডর হিসেবে তাঁর জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগাতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

রুয়ান্ডা

ফ্রাঙ্কোইস রেগিস হাকিজিমানা
রুয়ান্ডা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষিবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ক্লিন্টন হেল্থ অ্যাকসেস ইনেশিয়েটিভ (CHAI) এ গত তিন বছর ধরে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছেন। এখানে তাঁর চর্চার বিষয় ভুট্টা এবং সয়াবিন শস্য। এর আগে তিনি ইসরাইলে টেকসই কৃষি ব্যবস্থাপনার ওপর ইন্টার্নশিপ করেন। একবছর তিনি কৃষি অধ্যয়ন করেন এবং ফল ও সবজি চাষে অংশগ্রহণ করেনে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার সাথে তাঁর পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। একজন অ্যাকসেস এগ্রিকালচার অ্যাম্বাসেডর হিসেবে হাকাজিমানা কৃষক এবং তাদের গ্রামীণ ব্যবসায়ের সুবিধার জন্য কার্যকার কৃষি-প্রশিক্ষণ ভিডিও প্রচার করতে বদ্ধপরিকর।

তাঞ্জানিয়া

নিয়ামঙ্গ চাচা
তানজেনিয়ার সোকোইন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষি-অর্থনীতি এবং কৃষি-ব্যবসায় বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এর আগে তিনি কৃষকদের বাজার সম্পর্কিত তথ্য এবং ব্যাংক থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান বিষয়ে প্রাইভেট এগ্রিকালচার সেক্টর সার্পোট (PASS)-এ ইন্টার্নশিপ করেন। তিনি সাসটেইনেবল এগ্রিকালচার তানজেনিয়া (SAT) পরিচালিত কর্মশালাগুলোতে অংশগ্রহণ করেন এবং জৈবসবজি ও মসলা সম্পার্কিত বিশেষ প্রকল্পগুলো সম্পন্ন করেন। চাচা জৈব চাষাবাদ ও গ্রামীণ উন্নয়নে দারুণ আগ্রহী এবং তিনি অ্যাকসেস এগ্রিকালচারের একজন ভালো অ্যাম্বাসেডর হতে আশাবাদী।

উগান্ডা

গ্রেস মুসিমামি
গ্রেস মুসিমামি ‘মেকারার ইউনিভার্সিটি’ থেকে এনভায়রনমেন্টাল ম্যানেজমেন্ট-এ ব্যাচেলর ডিগ্রি ও সাংবাদিকতায় ডিপ্লোমা করেন। গ্রেস ‘ফারমার্স মিডিয়া নিউজপেপার’-এর সম্পাদক। এটি উগান্ডার একমাত্র কৃষিভিত্তিক সংবাদপত্র। সংবাদপত্রটি উগান্ডার বিভিন্ন বোর্ড-এর প্রতিনিধিত্ব করে থাকে- উগান্ডা ন্যাশনাল ফারমাস ফেডারেশন (ইউএনএফএফই) এবং উগান্ডা ফোরাম ফর অ্যাগ্রিকালচার অ্যাডভাইজারি সার্ভিসেসস (ইউএফএএএস)। এ ছাড়াও তিনি অ্যাগ্রিকালচারাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব উগান্ডা (এজেএইউ) এর প্রেসিডেন্ট এবং ‘নেটওয়ার্ক ফর অ্যাগ্রিকালচারাল জার্নালিস্টস ইন ইস্টার্ন অ্যান্ড সাউদার্ন আফ্রিকা’-এর সেক্রেটারি জেনারেল। কৃষকদের উন্নত ও উদ্ভাবনী কাজসমূহের, যেগুলো তাদের উপার্জন বাড়ায়, প্রসার ঘটাতে তিনি পছন্দ করেন।
অনারারি অ্যাম্বাসেডর ফর উগান্ডা
শ্যারন আগেন
কোস্টারিকার আর্থ ইউনিভার্সিটি থেকে কৃষি বিজ্ঞানে চার বছরের স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফিলান্ট্রোপি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক প্রকল্প ব্যবস্থাপনা এবং পরিকল্পনার পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন বিষয়ে সার্টিফিকেট অর্জন করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে অ্যালেগ্রো কফি সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে, তিনি ২০১০ সালে উগান্ডায় ফিরে এসে আগাশা গ্রুপ নামে একটি কৃষিনির্ভর ব্যবসা শুরু করেছিলেন, যা কৃষকদের এবং বাজার, সরবরাহকারী, পার্টনার এবং পরিষেবা সরবরাহকারীদের সাথে সংযুক্ত করতে তথ্য প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে। তার সংস্থা ইস্টআফ্রিকার প্রথম কৃষিবিদ ডিরেক্টরি প্রকাশ করেছে। শ্যারন গ্রামীণ সমৃদ্ধির জন্য উপদেষ্টা কমিটির তহবিলের এবং আফ্রিকার যুব কৃষি ব্যবসা নেটওয়ার্ক কমিটির একজন সদস্য ছিলেন। ২০১০ এ আফ্রিকা, এশিয়া এবং লাতিন আমেরিকায় আয়োজিত বিআইডি নেটওয়ার্ক নারী ব্যবসায়ী প্রতিযোগিতার পাঁচ বিজয়ীর মধ্যে একজন । শ্যারন তার সংস্থা দ্বারা বাস্তবায়িত কিছু প্রকল্পে, স্থানীয়ভাবে সংগঠিত কৃষক থেকে খামার পরিদর্শনকালে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে তার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অ্যাক্সেস এগ্রিকালচার প্রশিক্ষণের ভিডিওগুলি প্রচার করবে।

লাইবেরিয়া

জনাথন এস স্টুয়ার্ট
কৃষিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং যুব উন্নয়ন ও কৃষি বিভাগে ১০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। বর্তমানে, জোনাথন অ্যাগ্রো টেক লাইবেরিয়ার নির্বাহী পরিচালক - এটি একটি যুবভিত্তিক বেসরকারী সংস্থা যেখানে তিনি যুবসমাজকে বেকারত্ব ও দারিদ্র্য হ্রাস করার জন্য তাদেরকে কৃষিক্ষেত্রে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন। তিনি শান্তি-নির্মাণ, কৃষিপ্রদর্শন এবং শিক্ষামূলক কার্যক্রমে পরামর্শদাতা হিসাবে যুবদের বেশ কয়েকটি উদ্যোগ নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবেও কাজ করেন। জোনাথন কৃষিক্ষেত্র এবং উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে "ক্ষুধা শূন্য" এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নশীল আফ্রিকায় রূপান্তরের জন্য যুব নেতৃত্বকে চ্যাম্পিয়ন করার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জোনাথন একজন "পরিবেশ কর্মী", যিনি লাইবেরিয়ার প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু-স্মার্ট অনুশীলনগুলিতে সচেতনতা তৈরি করে সবুজ পরিবেশের জন্য প্রচার এবং প্রসার করেন।

ভারত

আকঙ্কশা তিওয়ারি
ভারতের বানারাস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় এর পরিবেশ ও স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান থেকে পরিবেশ বিজ্ঞান (পরিবেশ প্রযুক্তি) বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি হায়দ্রাবাদের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ এগ্রিকালচার এক্সটেনশন ম্যানেজমেন্টে গবেষণা ইন্টার্ন হিসাবে কাজ করেছেন এবং বর্তমানে চেন্নাইয়ের সিটিজেন কনজিউমার এবং সিভিক অ্যাকশন গ্রুপে পরিবেশ ও জলবায়ু অ্যাকশন দলের সাথে গবেষক হিসাবে কাজ করছেন। তিনি হায়দরাবাদে দক্ষিণ এশীয় পিপলস অ্যাকশন অন ক্লাইমেট ক্রাইসিসের (এসএপিএসিসি) কমিটির একজন সদস্য। অ্যাক্সেস এগ্রিকালচার অ্যাম্বাসেডর হিসাবে, তিওয়ারি সারা ভারত জুড়ে উদ্ভাবনী কৃষকদের স্থানীয় পদ্ধতি এবং তাদের স্ব-তৈরি সরঞ্জাম এবং কৌশলগুলির উপর ভিত্তি করে স্বাস্থ্যকর এবং জৈবভাবে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির ভিডিওগুলি সংরক্ষণ এবং শেয়ার করতে তাদের নিযুক্ত করতে চান।

নাইজিরিয়াদেশ

এমানুয়েল আকিনওয়ালে
মৎস্য বিষয়ে একজন স্নাতক এবং নাইজেরিয়ার ইবাদান শহরের একোয়াপাপ্রো এগ্রো ইন্ডাস্ট্রি এবং আলফামেট মার্কেটিং কমিউনিকেশনের একজন অপারেশন ডিরেক্টর। তিনি বেশ কয়েকটি বৃহৎ ফিশ ফার্ম এবং সংস্থার হয়ে কাজ করেছেন। তিনি ইবাদান এবং লাগোস বিজনেস স্কুলের দক্ষিণ-পশ্চিম সেন্টারে উদ্যোক্তা উন্নয়নে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং যুক্তরাজ্যের সেন্ট অ্যান্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাসটেইনেবল অ্যাকোয়াকালচার এর একজন মাস্টার্স শিক্ষার্থী। ইমানুয়েল নাইজেরিয়ার ফিশারি সমিতি, পেশাদারদ প্রকল্প ব্যবস্থাপনার ব্রিটিশ সংঘ এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের নাইজেরিয়ান সমিতিসহ বেশ কয়েকটি বাণিজ্য গ্রুপ এবং পেশাদার সংস্থার সাথে জড়িত । তিনি ফিলাম্যাট ইনস্টিটিউট অফ ট্রেনিংয়ের জলজ চাষে নিয়োগপ্রাপ্ত একজন প্রশিক্ষক এবং কৃষি দক্ষতা ও ক্ষমতায়নের ফেডারেল মন্ত্রকের নাইজার-ডেল্টার এরও একজন প্রশিক্ষক। তিনি টেকসই কৃষি বিপণন এবং আন্তর্জাতিক বাজার প্রবেশের মাধ্যমে ভ্যালু চেইন উন্নয়ন এবং দারিদ্র্য বিমোচনে ৩০০০ কৃষককে প্রশিক্ষণের জন্য ভারপ্রাপ্ত, ভ্যাকবেলস কৃষক, ওলোডো এগ্রিক ট্রান্স সমবায় সমিতি এবং নাইজেরিয়া যৌথ কৃষক সমিতিতে স্বেচ্ছায় কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেন। ইমানুয়েল লাইসেন্স অনুমোদিত সংস্থাগুলোর একজন অনুমোদনকারক, গ্লোবাল জিএপি / ফুডপ্লাস এর একজন পরামর্শদাতা। বর্তমানে তিনি কৃষি ও খামারের আশ্বাসের বিষয়ে অ্যাগ্রোপার্কস ডেভলপমেন্ট সংস্থার একজন পরামর্শদাতা। তিনি কমনওয়েলথ স্কলার ২০১৮, ডাচ সরকারী স্পনসরড অরেঞ্জ নলেজ স্কলার ২০১৮, যুক্তরাজ্য সরকারী স্পনসরড কানেক্ট আফ্রিকা বিজনেস ২০১৭ এবং এফজিএন / ওয়ার্ল্ডব্যাঙ্ক / ইউউইন ২০১০ সহ বেশ কয়েকটি পুরষ্কার জিতেছেন।

জিম্বাবুয়ে

জোসেফ মুসারা
কৃষক-অর্থনীতির তের বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা এবং ৫ এইচ-ইনডেক্স এর একজন গুগল স্কলার হওয়ার সাথে সাথে তিনি একজন গবেষক এবং একাডেমিক। তিনি পরিবারের অর্থনৈতিক সুবিধার্থে জিম্বাবুয়ে ও জাম্বিয়ার শুষ্ক অংশগুলিতে জোয়ার ও বাজরা মূল্য বৃদ্ধিতে ক্ষুদ্রধারকদের উন্নয়ন করেছেন এবং ইকোনোমেট্রিক মডেলিং, গ্রামীণ কৃষি বিপণন, উদ্ভাবন সহজে গ্রহণ এবং খাদ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত বিভিন্ন পদ্ধতির চর্চা এবং প্রয়োগ করেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে তার দক্ষতা এবং পারদর্শিতা অ্যাক্সেস এগ্রিকালচার অ্যাম্বাসেডর হিসাবে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।

মাসিক অ্যম্বাসেডর -
জুলাই ২০২০

এই মাসে তিনজন অ্যম্বাসেডর তাদের নেটওয়ার্কগুলির সাথে বিভিন্নভাবে যুক্ত থেকে অ্যাক্সেস এগ্রিকালচারকে আরও প্রচারের ক্ষেত্রে  গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

১ম

শ্যারন আগেইন
উগান্ডা


২য়

মালিকি অগ্নোরো
বেনিন


৩য়

আকিনওয়ালে এমানুয়েল
নাইজিরিয়া

Designed & Built by Adaptive - The Drupal Specialists