প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত তথ্য

Download PDF version

ইউএসএইড ভিডিও টুলকিট প্রাথমিকভাবে এই তথ্যভাণ্ডার তৈরি করেছে, পরিপূর্ণ টুলকিট এই ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে : : http://www.ictforag.org/video/

যেকোনো ভিডিও শুটিং বা প্রচার করার আগে আপনি টেকনিক্যাল বিষয়গুলো পছন্দ করে নিতে পারেন। কম দামের অনেক ভিডিও রেকর্ডিং ডিভাইসের তথ্য এখানে একনজরে দেখে নিতে পারেন। যে-তথ্যগুলো থেকে আপনি ডিভাইসগুলোর সবল দিক এবং দুর্বল দিকগুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং আপনার কাজের জন্য কোনটি সবচেয়ে উপযুক্ত তা ঠিক করে নিতে পারেন। এই ওয়েবসাইটটি বাড়তি ডিভাইস, সম্পাদনা সফ্টওয়্যার এবং সম্ভাব্য অন্যান্য টেকনিক্যাল বিষয়গুলো সম্পর্কেও তথ্য প্রদান করে।

আপনি যদি একবার সিদ্ধান্ত নেন যে, আপনার প্রজেক্টে ভিডিও অন্তর্ভুক্ত করবেন, তবে আপনার লক্ষ্য অর্জনের জন্য কোন ডিভাইসগুলো সবচেয়ে উপযুক্ত তা বেছে নিন। যেহেতু প্রতিটি অবস্থা আলাদা এবং ভিডিও এবং অডিও সরঞ্জামগুলো প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে, সেহেতু এটি বলে দেওয়া সম্ভব নয় যে, কোনগুলো আপনার কাজের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। এই ডিভাইসগুলো চারটি প্রধান শাখায় বিভক্ত :

১. ভিডিও যন্ত্র
২. প্রচারের জন্য যন্ত্র
৩, বাড়তি যন্ত্র এবং আনুষঙ্গিক
৪. সফ্টওয়্যার 

এই ওয়েবসাইটটি সংকলনের সময়কালে সব তথ্য যথাযথ ছিল, তবে একথা মনে রাখা দরকার যে, অন্যান্য ডিজিটাল টেকনোলজিগুলোর মতো ভিডিও টেকনোলজিগুলোও দ্রæত উন্নত হচ্ছে। টেকনোলজি ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো চ‚ড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আপনার নিজস্ব স্বাধীন গবেষণার জন্য অন্য ভোক্তাদের মতামত বিবেচনা করুন এবং টেকনোলজি উপকরণে কোনো অগ্রগতি হয়েছে কি না তা জেনে নিন, আপনার প্রয়োজনীয় টেকনিক্যাল উপকরণের জন্য সেটাই হবে উত্তম পন্থা। বিশেষজ্ঞ এবং ভোক্তাদের পর্যালোচনার জন্য সিএনইটি [CNET]  (http://reviews.cnet.com) একটি উপযুক্ত তথ্যভান্ডার।

ভিডিও ডিভাইস 

ভিডিও ডিভাইস শাখাটি বর্তমানে বাজারে সরবরাহ আছে এমন চার ধরনের ভিডিও ডিভাইসের সবল দিক এবং দুর্বল দিক বিবেচনা করে : পকেট বা মিনি ক্যামকোর্ডারস, স্ট্যান্ডর্ড ক্যামকোর্ডারস, প্রো-সামার [বা প্রফেশনাল কনজিউমার] ক্যামকোর্ডারস, এবং মাল্টিফাংশানাল ভিডিও ডিভাইস।  

পকেট ক্যামকোর্ডারস

একনজরে

পকেট ক্যামকোর্ডারগুলো আকারে ছোটো, ‘তাক করো আর শ্যুট করো-এর মতো সুবিধাজনক ব্যবহার, আকার এবং স্বল্প মূল্যের জন্য এই ডিভাইসগুলো জনপ্রিয়। এর বেশিরভাগ মডেলই শুধু অন / অফ বোতাম চেপে চালানো যায়। এই ডিভাইসগুলো দিয়ে রেকর্ডিং করা, শব্দ নিয়ন্ত্রণ করা, প্লেব্যাক করা এতই সহজ যে, একেবারে নতুনরাও এগুলো অনায়াসে চালাতে পারে।

সবল দিক

আরামদায়ক ব্যবহার, কমপেক্ট সাইজ আর সাশ্রয়ী মূল্য এই ডিভাইসগুলোর সবচেয়ে বড়ো সুবিধা। এই ডিভাইসগুলো প্রায়ই মূল সম্পাদনা সফটওয়্যারের সাথে যুক্ত হয়ে যায়, তখন এর সাহায্যে সহজে এবং দ্রæত ভিডিও এডিটিং করা যায়। এই ডিভাইসগুলোর হাই ডেফিনেশন (HD) সহজলভ্য, যদিও এগুলোর চিপ ও লেন্সের সীমাবদ্ধতা প্রকৃত এইচডি (HD) মানের কাজ করার জন্য উপযুক্ত নয়, এসব হাই ডিভাইসের সংখ্যা দিন দিন সহজলভ্য হচ্ছে। 

দুর্বল দিক

অভ্যন্তরীণ মাইক্রোফোনগুলো প্রায়শই নিম্নমানের হয়, এগুলো অযাচিত শব্দ [background noise] ধারণ করে। পেশাদার বা মানসম্পন্ন মডেল ছাড়া ভিডিও প্রডাকশন এইচডি [HD ] মানসম্পন্ন হয় না। পেশাদার অথবা মানসম্পন্ন এইচডি ভিডিওর মতো এগুলো নাও হতে পারে। বেশিরভাগেরই ডিজিটাল জুম-মান ভালো না এবং সীমিত। এগুলোতে ফোকাস, হোয়াইট ব্যালেন্স ইত্যাদি হাতে সমন্বয় বা ম্যানুয়ালি এডজাস্ট করা যায় না। বেশিরভাগেরই ডিজিটাল জুম নিম্নমানের হয় এবং [ছবি ফোকাস করা, হোয়াইট ব্যালেন্স করা, ইত্যাদি ক্ষেত্রে] ম্যানুয়্যাল এ্যাডজাসমেন্ট সক্ষমতা থাকে না, বা একেবারে কম থাকে।

সবচেয়ে উপযুক্ত কখন

এটির স্বল্পমূল্যতা এবং কার্যকারিতার জন্য কোন সীমিত অভিজ্ঞতাযুক্ত অথবা অভিজ্ঞতাহীন কোন ব্যক্তি, যেমন কৃষক, মাঠকর্মী ব্যক্তিদের ব্যবহারের জন্য এটি আদর্শ 

বিবেচ্য বিষয়

নির্দিষ্ট কোনো মডেল কেনার বিষয়ে স্থির সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আপনি নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচনা করুন :

অডিও উপকরণ সকেট : স্বীকৃত সীমাবদ্ধতা সত্তে¡ও ইন্টারনাল মাইেক্রোফোনগুলোর অডিও উপকরণ সকেট খুব গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে অডিওর মান বাড়ানোর জন্য আপনাকে এক্সটারনাল মাইক্রোফোন ব্যবহার করতে হবে। 

সম্প্রসারণযোগ্য মেমোরি : বেশিরভাগ পকেট ক্যামকোর্ডারের ইন্টারনাল মেমোরির সাহায্যে মাত্র দুই ঘণ্টা শুটিং করা যায়। এক শটে বেশি সময় ধরে শুটিং করার জন্য বাড়তি মেমোরি স্লটযুক্ত মডেলগুলো ব্যবহার করার ক্ষেত্রে আপনাকে অতিরিক্ত SD মেমোরি ব্যবহার করতে হবে।

ব্যাটারির ধরন : বেশিরভাগ মডেলে লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়, যদিও কোনো কোনো মডেল এএ ব্যাটারিতেও চলে। যা হোক, এটা নিশ্চিত হন যে, ব্যাটারিগুলো ডিভাইস থেকে আলাদা করা যায় এবং সেগুলো পৃথক অবস্থায় চার্জ করা যায়। সরাসরি ব্যাটারি চার্জ করতে গেলে ক্যামকোর্ডারের ক্ষতির ঝুঁকি থাকে, বিশেষত বিদ্যুৎ চলে যাবার পর যখন পুনারায় ফিরে আসে।  বেশিরভাগ পকেট ক্যামকোর্ডারের ব্যাটারির মেয়াদ গড়ে ৯০ মিনিট। তাই গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও রেকডিংয়ের সময় অন্তত দুটি রিমুভেবল ব্যাটারি সাথে রাখুন, যার একটি, যেটি ব্যবহৃত হচ্ছে না, সেটি যেন চার্জ দেওয়া থাকে সে ব্যবস্থা রাখুন।

প্রাপ্যতা : খুব জনপ্রিয় দুটি ব্র্যান্ড [ফ্লিপ ও কোডাক] সম্প্রতি ঘোষণা করেছে যে, তারা পকেট  ক্যামকোর্ডারের উৎপাদন কমিয়ে আনবে। তাদের এ সিদ্ধান্তের ফলে, মডেলগুলোর জন্য যে টেকনিক্যাল সহযোগিতা ছিল তা কমে যাবে। এই ব্র্যান্ডের মডেল তো বটেই এমনকি অন্য ব্র্যান্ড কেনার সময়ও কথাটি মনে রাখুন। এই বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা উচিত যে, আপনি যে মডেল কিনবেন সেগুলো স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য নয়, কোনো প্রযুক্তিগত ত্রæটির কারণে আপনাকে উৎপাদনকারী দেশে বা মূল জায়গায় সেগুলো ফেরত দিতে হতে পারে। 

আনুমানিক মূল্যসীমা

বেশিরভাগ মানসম্পন্ন মডেলের মূল্য $১০০ থেকে $১৫০ এর মধ্যে। ফুলার ফিচার্ড ক্যামকোর্ডারের মূল্য প্রায় $২০০। সনি, ক্রিয়েটিভ, আরসিএ, সানিও এবং জুম অতি পরিচিত পকেট ক্যামকোর্ডার মডেল।

স্ট্যান্ডার্স ক্যামকোর্ডারস

একনজরে

স্ট্যন্ডার্স ক্যামকোর্ডারগুলো সাধারণত পকেট ক্যামকোর্ডারের চেয়ে দুই থেকে তিন গুণ বড়ো। এগুলো পকেট ক্যামকোর্ডারের চেয়ে বেশি শক্তিশালি ফিচার-সমৃদ্ধ ; এগুলোর ভিডিও ও অডিও রেকর্ডিং উচ্চমানের, অপটিক্যাল জুমের মান ভালো, স্ক্রিন বড়ো এবং অন-বোর্ড ফিচারও শক্তিশালী।

সবল দিক

সাধারণভাবে বলা যায়, স্ট্যান্ডার্ড ক্যামকোর্ডার ব্যবহার করে আপনি পকেট ক্যামকর্ডারের চেয়ে টোকনিক্যালি উচ্চমানের ভিডিও নির্মাণে করতে পারবেন। 

দুর্বল দিক

যদিও দামে তারতম্য আছে, তবুও স্ট্যান্ডার্ড ক্যামকোর্ডারের মডেলগুলো পকেট ক্যামকোর্ডারের চেয়ে বেশি মূল্যের। সব মডেলের অডিও উপকরণ ‘জ্যাকস’ পাওয়া যায় না। এগুলোর সাথে সংযুক্ত অতিরিক্ত ফিচারগুলো নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য অসুবিধাজনক হতে পারে এবং যথাযথভাবে ব্যবহার না করার দরুন নিম্নমানের ভিডিও তৈরি হতে পারে। 

সবচেয়ে উপযুক্ত কখন

ভিডিও তৈরির ক্ষেত্রে কমপক্ষে একটি মাঝারি স্তরের অভিজ্ঞতার ব্যক্তিদের দ্বারা ব্যবহারের জন্য স্ট্যান্ডার্ড ক্যামকর্ডার সম্ভবত প্রযোজ্য। সঠিক প্রশিক্ষণর ছাড়া এগুলি সরাসরি কৃষক বা মাঠ কর্মকর্তাদের  ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত নয়।

বিবেচ্য বিষয়গুলো

স্ট্যান্ডার্ড ক্যামকোর্ডারের নানারকম ধরণ এবং ফিচারের দরুন এগুলো ব্যয়বহুল। এর কোন মডেলটি আপনার সুনির্দিষ্ট প্রয়োজন মেটাবে তা গবেষণা করে বের করুন।  

অডিও উপকরণ [মাইক্রোফোন] সকেট :: অভ্যন্তরীণ মাইক্রোফোনের স্বীকৃত সীমাব্ধতা সত্তেও এগুলোর অডিও উপকরণ সকেট খুব গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো ব্যবহার করলে আপনাকে অডিওর মান বাড়ানোর জন্য এক্সটারনাল মাইক্রোফোন ব্যবহার করতে হবে। সব ক্যামকোর্ডারের পৃথক অডিও সকেট থাকে না। 

ল্যাঙ্ক সকেট : কিছু ক্যামকোর্ডারের ল্যাঙ্ক সকেট নামে আরেকটি সকেট থাকে। এটি রিমোট জুম কন্ট্রোলারস সংযুক্ত করে ব্যবহার করা যায়, ক্যামেরাটি সহজে ব্যবহার করার জন্য এটি আপনাকে অপটিক্যাল জুম সুবিধা পেতে সক্ষম করবে। 

আনুমানিক মূল্যসীমা

স্ট্যান্ডার্ড ক্যামকোর্ডারসের দাম সাধারণত $২০০ থেকে $১০০০ এর মধ্যে। তবে, এর মূল্য নির্ভর করে কী ধরনের ফিচার আছে এবং সেগুলোর মানের ওপর।

প্রো-সামার ক্যামকোরডারস

একনজরে

ওয়াইড-অ্যাঙ্গেল লেন্স, সম্পূর্ণ এইচডি সক্ষমতা এবং অন-বোর্ড ফিচার-সহ একজন ভিডিওগ্রাফারের জন্য সম্ভাব্য যতগুলো ফিচার প্রয়োজন, তার প্রায় সবগুলোই প্রো-সামার ক্যামকোর্ডারে থাকে।

সবল দিক

ভিডিও এবং অডিও গুণমানের দিক থেকে এই ক্যামকোর্ডারগুলো সেরা, এর ভেতর থেকে আপনি পরিপূর্ণ পেশাদার ক্যামেরা খুঁজে নিতে পারবেন।

দুর্বল দিক

এই ক্যামকোর্ডারগুলোর প্রাথমিক দুর্বলতা হলো বেশিরভাগ কৃষি-প্রকল্পের জন্য এগুলো উচ্চমূল্যের এবং এগুলো চালানোর মতো দক্ষ লোক খুঁজে পাওয়া। 

সবচেয়ে উপযুক্ত কখন

প্রো-সামার ক্যামকোর্ডারগুলোর জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বিবেচ্য বিষয় হলো, হয় এগুলো প্রশিক্ষিত কোনো ভিডিওগ্রাফার চালাবেন অথবা তার তত্ত্বাবধানে অন্য কেউ চালাবেন। 

বিবেচ্য বিষয়গুলো

প্রো-সামার ক্যামকোর্ডারগুলো থেকে সর্বোচ্চ মান পতে হলে এটা নিশ্চিত হন যে, আপনার কর্মীদের মধ্যে একজন দক্ষ ভিডিওগ্রাফার আছেন অথবা তাদের মধ্যে একজনকে প্রশিক্ষিত করে নেওয়া যাবে। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সেরা মডেলটি বাছাই করার মতো উপদেশ দেওয়ার যোগ্যতাও ওই ব্যক্তির থাকতে হবে।   

অডিও উপকরণ [মাইক্রোফোন] সকেট : যদিও এই ক্যামেরাগুলোতে ইন্টারনাল মাইক্রোফোনগুলো ভালো মানের থাকে, তবু একটি অডিও উপকরণ সকেট খুব গুরুত্বপূর্ণ। উন্নতমানের অডিও পেতে এগুলোর সাহায্যে আপনি এক্সটারনাল মাইক্রোফোন ব্যবহারে করতে পারবেন, বিশেষত সাক্ষাৎকার গ্রহণের সময়। 

ল্যাঙ্ক সকেট: এই ক্যামকোর্ডারগুলোতে ল্যাঙ্ক সকেট নামে অন্য একটি সকেট থাকে। এটি জুম কন্ট্রোলার সংযুক্ত করে ব্যবহার করা যায়, এগুলোর সাহয্যে আপনি সহজে ক্যামেরাতে জুম সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন।  

আনুমানিক মূল্যসীমা

এই ক্যামেরাগুলোর দাম সাধারণত $১০০০ থেকে  $৬০০০ এর মধ্যে। তবে, এগুলোর দাম নির্ভর করে ফিচারের মানের ওপর।  

মাল্টিফাংশানাল ডিভাইস

একনজরে

মূল কাজের পাশাপাশি, মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল ক্যামেরা এ দুটি ডিভাইস দিয়েও আজকাল ভিডিও রেকর্ডিং করা যায়। 

সবল দিক

ডিভাইসগুলোর শক্তিশালী দিক হলো এগুলো প্রতিনিয়ত সহজলভ্য হয়ে উঠছে। স্থানীয়ভাবে সুবিধাভোগী বা কর্মীগণ যদি ইতোমধ্যেই এ ডিভাইসগুলোর ব্যবহার জেনে থাকেন, তবে তারা প্রজেক্টের খরচ কমিয়ে দিতে পারে। 

দুর্বল দিক

আমরা যেসব ক্যামকোর্ডার নিয়ে আলোচনা করেছি, সেগুলোর তুলনায় এই ডিভাইসগুলো দিয়ে তৈরি ভিডিও ও অডিও-র মান খারাপ হয়। একমাত্র ব্যতিক্রম হলোÑ ডিজিটাল এসএলআর ক্যামেরা, যা দিয়ে ভালো-মানের ভিডিও রেকর্ড করা যায়। তবে এসব ক্যামেরার দাম বেশি হওয়া ও ক্যামেরা চালানোর জটিলতার কারণে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ছাড়া এগুলো থেকে ভালো ফলাফল পাওয়া যায় না। এ ডিভাইসগুলো স্থির রাখা সহজ নয় বলে শুটিংয়ের সময় ক্যামেরা স্থির রাখতে বাড়তি ডিভাইসের সহায়তা প্রয়োজন হয়।

সবচেয়ে উপযুক্ত কখন

যখন দেখা যাবে যে, প্রকল্পের পার্টনার বা সুবিধাভোগীগণ নিজেরা তাদের নিজেদের কাজেই ডিভাইসগুলো ব্যবহার করছে। মোবাইল ফোনে তোলা ভিডিওগুলো একেবারে খারাপ হয় না, ফলে সেগুলো বিতরণ করা যায়। ভালো মানের ভিডিও করা যায়Ñ এমন মোবাইল ফোনের চাহিদা নিশ্চিতভাবে বাড়ছে।

বিবেচ্য বিষয়গুলো

ডেডিকেটেড ক্যামকোর্ডারগুলো এখনো পর্যন্ত সামগ্রিক মানের দিক থেকে ভালো। সে যাই হোক, আপনি যদি মনোস্থির করেন যে, আপনি আপনার ভিডিও কর্মকাণ্ডের জন্য একটি মোবাইল ফোন বা ডিজিটাল স্টিল ক্যামেরা ব্যবহার করবেন তা হলে নিচের বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখুন :

ভিডিও রেজুলেশন : রেজুলেশন কমপক্ষে ৭২০পি, যদি ১০৮০পি না পাওয়া যায়। এ ছাড়াও অন্তত ২৪ ফ্রেম প্রতিসেকেন্ডও (fps) দেখতে পারেন। 

অডিও মান : এই ডিভাইসগুলোতে ইন্টারনাল মাইক্রোফোনগুলো নিম্নমানের হয়। পকেট ক্যামকোর্ডারগুলোর মতো এগুলোতেও মাইক্রোফোনের সাথে ব্যবহারের জন্য অডিও উপকরণ জ্যাক আছে কি না তা নিশ্চিত হন। 

আনুমানিক মূল্যসীমা

আঞ্চলিক প্রাপ্যতা ও ডিভাইসের ওপর নির্ভর করে।

ভিডিও ক্যামকোর্ডারগুলোর সাথে সম্পর্কিত প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্যের আরো তথ্যের জন্য, পর্যালোচনা ও তুলনা করার জন্য CNET ভিজিট করুন।  তাদের ক্যামকোর্ডার কেনার গাইড হলো https://www.cnet.com/topics/video-cameras/products/.

Top

ভিডিও প্রচারের জন্য ডিভাইস

আপনি নানা উপায়ে আপনার ভিডিও সম্প্রচার করতে পারেন, প্রত্যেকটির জন্য আলাদা আলাদা হার্ডওয়্যারের প্রয়োজন হবে। সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার বাস্তবায়নের জন্য এখানে শুধু চারটি পদ্ধতির ওপর আলোচনা করা হলো।

আপনি এই পদ্ধতি ব্যবহার করে কোনো প্রতিষ্ঠিত কম্পিউটার সেন্টারের সাথে কাজ করবেন এবং নিজে সরঞ্জাম কিনবেন না, এমন ধারনা করে কম্পিউটার সেন্টার বা টেলিসেন্টারগুলো এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
যদি আপনি কোনো কম্পিউটার সেন্টারের সাথে কাজ করেন, তা হলে কম্পিউটার সিস্টেম সাস্টেইনেবিলিটি টুলকিট পড়ে দেখতে পারেন, যেটি মূলত AED ( বর্তমানে FHI 360) দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এটি অনলাইনেও পাওয়া যায় : 

http://www.fhi360.org/resource/computer-system-sustainability-toolkit

ভিডিও প্রজেক্টর

একনজরে

ভিডিও প্রজেক্টর কম্পিউটার, ডিভিডি প্লেয়ার, ট্যাবলেট, এমনকি মোবাইল ফোনসহ নানারকম ডিভাইসে সংযুক্ত করা যায়। অনেক প্রজেক্টরেই  USB পোর্ট থাকে, ফলে USB স্টিক বা পেনড্রাইভ সরাসরি প্রজেক্টরের সাথে লাগিয়ে দেওয়া যায়।

অধিকসংখ্যক দর্শককে ভিডিও দেখানোর সময় এগুলো কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়। যদিও প্রজেক্টরের সাথে স্ক্রিন থাকা স্বাভাবিক (রোল করা এবং পোর্টেবল স্ক্রিন এখন সহজলভ্য) তবুও সাদা রঙের খালি দেওয়াল স্ক্রিন হিসেবে ব্যবহার করা যায়, এমনকি সাদা কোনো শিটও ব্যবহার করা যায়।   

সবল দিক

নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকলে খোলা জায়গাসহ যেকোনো স্থানে প্রজেক্টর চালানো যায়। অনেক দর্শককে দেখানোর জন্য এর বড়ো স্ক্রিন খুবই সুবিধাজনক। 

দুর্বল দিক

নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রয়োজন হয় এবং আনা-নেওয়ার অসুবিধার দরুন ভিডিও প্রজেক্টরের ব্যবহার চ্যালেঞ্জিং এবং ব্যয়সাপেক্ষ। ভিডিও প্রজক্টর গ্রামীণ এলাকায় সহজলভ্য নয়।  

সবচেয়ে উপযুক্ত কখন

অধিকসংখ্যক দর্শককে দেখানোর জন্য ভিডিও প্রজেক্টরের প্রয়োজন হয়, এটি প্রায়শই মোবাইল ভিডিও ভ্যানের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

বিবেচ্য বিষয়

নতুন প্রজেক্টরগুলো আকার এবং ওজনে আগের তুলনায় অনেক হালকা ও ছোটো হয়েছে এবং এগুলো আগের চেয়ে অনেক বেশি বহনযোগ্য। যা হোক, এগুলো চালানোর জন্য নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ অথবা জেনারেটরের মতো নির্ভরযোগ্য কোনা স্থানীয় বিদ্যুৎব্যবস্থা থাকতে হবে।  
আপনার প্রজেক্টর থেকে সেরা মান পেতে হলে যেখানে এটি ব্যবহার করবেন সেখানকার আলোর পরিস্থিতি সম্পর্কে আপনাকে জানতে হবে। চারপাশের আলোর ওপর নির্ভর করবে স্ক্রিনের ছবি কতটা দৃশ্যমান হবে। যখন আপনার প্রজেক্টরের উজ্জ্বলতা লুমেন্সের ভেতর দিয়ে প্রকাশ পায় সত্যিকার অর্থে তখনই ছবি দেখা যায়। এরকম সময়ই আপনার প্রজেক্টরের লুমেন কতটা উজ্জ্বল তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে।

যদি রুমটি মোটামুটি উজ্জ্বল হয় তা হলে আপনাকে ২০০০ লুমেন উজ্জ্বলতার একটি প্রজেক্টর নিতে হবে। ছবির মানের পাশাপাশি প্রজেক্টরের শব্দমান কেমন হচ্ছে, সেদিকে নজর রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। ফলে দর্শকের পরিমাণ ও চাহিদা মাথায়া রেখে বাড়তি স্পিকারের ব্যবস্থা রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। 

সবসময় এটা নিশ্চিত হবেন, যে-উপকরণের মাধ্যমে প্রজেক্টরে ভিডিও দেখাচ্ছেন সে-উপকরণের সাথে প্রজেক্টরের সংযোগ স্থাপনকারী তারটি যথাযথ আছে কি না।

আনুমানিক মূল্যসীমা

বহনযোগ্য ভিডিও প্রজেক্টরের মূল্য সবসময় কমতে থাকে এবং $৩০০ এ পাওয়া যায়। 

POCKET and PICO PROJECTORS

OVERVIEW

Pocket and pico projectors are small projectors roughly the size of a pocket camcorder or slightly larger. Pico projectors generally use lithium ion batteries, have a navigable, internal memory system, and can project an image of up to 50 inches in ideal circumstances. Pocket projectors mostly use mains electricity.

STRENGTHS

Due to their size, pocket and pico projectors are extremely easy to transport in the field. They are also cheaper than many other hardware considerations.

WEAKNESSES

Most models have relatively low ANSI lumens rating, meaning that the ambient light level in the room you are using will need to be fairly dim to show a good picture. Pocket projectors have higher lumen ratings than pico projectors, but usually require mains electricity.

WHEN MOST APPROPRIATE

Pico projectors are best used for small group viewings in areas without dependable access to electricity, television, and DVD/VCD players, or computers. Pocket projectors are suitable for slightly large groups.

THINGS TO CONSIDER

To get the best usage from pocket and pico projectors, you will want to consider the following:

Data input: Look for models with micro-SD and micro-USB ports. This will enable you to load videos onto the projector without connecting it to a computer or the internet. A device with internal memory is also preferable, as it will allow you to pre-load videos directly onto the projector.

Power type: Since you will likely be using these projectors in areas without dependable access to electricity, you should look for a device with at least 1-2 hours of battery life. Removable batteries that can be charged separately from the projector are ideal for the same reasons explained above under the pocket camcorder section. Additional external batteries are available for some models, whilst others can take power from a USB port.

Audio out: The internal speakers on pocket and pico projectors typically have a maximum volume that is, for all intents and purposes, useless in a group setting. The only way to avoid this is to use external speakers. If the projector does not have an audio out jack, avoid it.

Light strength: Make sure that the projector has at least 10 lumens. Anything less than this will make it almost impossible to use in most locations. Ideally look for a projector with 30 lumens or more. This will ensure that there is enough light to use the projector even with modest levels of ambient light. Pocket projectors generally have higher lumen outputs.

File extension compatibility: Not all projectors support all file formats. Do not worry too much about this because you can always convert your videos into a compatible format (see software section for more information).

Remote control: Some models include remote controls, which you may find easier to use for navigating and pausing videos during viewings.

ESTIMATED PRICE RANGE

Prices range from about $150 for pico projectors and $250 for pocket projectors.

One Media Player per Teacher has assessed many of these devices. More information can be found online at: www.ompt.org/content/video

TELEVISIONS AND VIDEO PLAYERS

OVERVIEW

Televisions and video players (either DVD or VCD) are well-known video dissemination devices. Some newer televisions may also have SD card or USB ports, which would allow you to play videos directly without the need for a video player.

STRENGTHS

Televisions and video players are more common than projectors or computers around the world. Local availability of, and access to, these devices would reduce the need for the project to purchase its own dissemination equipment.

WEAKNESSES

If not immediately available, transporting and powering televisions and video players can be logistically challenging and not cost effective.

WHEN MOST APPROPRIATE

Televisions and video players are most appropriate in circumstances where they already exist within the community you are working in.

THINGS TO CONSIDER

If these devices are already locally available, you will want to consider their location before deciding to use them. You will also want to be mindful of any local power dynamics. For instance, some farmers might be hesitant to watch videos in the house of a wealthy family or politician from an opposing political party. Location neutrality and physical convenience should be your top priority. If you notice that farmers are failing to show up once you have selected a location, you might want to reconsider your options.

If these devices are not already locally available and you decide to procure them, you will want to consider a number of logistical factors as follows:

· Do you have a secure location to store the equipment?

· Do you plan to keep the equipment in one location? If so, is it convenient and accessible to farmers?

If not, how do you plan to transport it?

· Is the local power source dependable enough?

· If not, do you have the resources to purchase and power a generator?

ESTIMATED PRICE RANGE

You can purchase a 26-inch LCD television with a USB port for between $220 and $400. If you already have access to a television, you can purchase an inexpensive DVD player for between $30 and $50.

Generator prices vary based on local availability, but in general you should expect to pay at least $200 for a basic generator in addition to on-going fuel costs.

An effective alternative is to power the television from a car battery.

PORTABLE VIDEO PLAYERS

OVERVIEW

Portable video players (PVPs) are compact devices that generally have a three-to ten inch screen with a built-in DVD player. Some models also include USB and SD-card memory input slots. Almost every model will have the facility to output the video to a projector for use with large groups.

STRENGTHS

PVPs are compact and relatively light, so they can be easily transported. Models with an SD card input may be more cost effective since you will not need to burn DVDs to disseminate your videos.

WEAKNESSES

On their own they have limited screen size. With the increasing popularity of tablets and smart phones, these sole-purpose devices may be needed less.

WHEN MOST APPROPRIATE

Used by themselves, PVPs are best used when showing videos to only a few viewers at a time.

However, when used with a projector and audio speakers, or with a television set, they can be very effective for showing programmes to large groups.

THINGS TO CONSIDER

The two main things to consider when purchasing a PVP are its screen size, and its input and output slots. At a minimum you should try to use a device with at least a seven inch screen — although nine inches is preferable, and USB and SD memory input slots.

Look for outputs that can connect to a projector and television. There may be separate video and audio outputs, although frequently now they are incorporated into one cable.

ESTIMATED PRICE RANGE

Decent-quality PVPs with its own screen between seven and nine inches can be found from $80 per unit.

TABLET COMPUTERS

OVERVIEW

Tablet computers are mobile devices with touch-screen navigation and screen sizes that generally range from seven to ten inches.

STRENGTHS

The touch-screen navigation can be more intuitive to some users than traditional computer navigation. Tablets are also light, easy to travel with, and typically have a longer battery life than laptop computers.

WEAKNESSES

Tablets are extremely popular and portable, so the risk of theft may be higher than it is with other devices. There is a higher risk of screen damage from repeated use than is the case with other display devices, such as computer monitors or television.

WHEN MOST APPROPRIATE

Given their limited screen size, tablets cannot be viewed by more than two or three people at a time. They are best used in circumstances where it is not possible or necessary to gather more than a few farmers together at a time.

THINGS TO CONSIDER

If you are using a tablet solely for video dissemination, it is probably not a good option given its cost and limited screen size. If you do use a tablet for dissemination to small groups, however, it is recommended that you have a tablet with a screen size of nine inches.

ESTIMATED PRICE RANGE

Most tablets with at least a nine-inch screen cost between $300 and $600.

The much-talked-about Aakash tablet (or Ubislate 7) from India will supposedly be available commercially for about $60. Although it will only be available in India, it may be a sign of more affordable tablets on the way.

MOBILE PHONES

OVERVIEWMobile phones present a few opportunities for dissemination. They can be used to play videos directly on the mobile phone screen or you can connect some mobile phones to a television or computer monitor.

A more recent opportunity involves using the phone as a projector. Although only a small number of phones currently have this feature, the number is likely to grow in the coming years

STRENGTHS

Mobile phones are becoming increasingly ubiquitous, even in some of the most-remote villages of the world.

Screen sizes are small and current on-board projectors are of limited strength.

WHEN MOST APPROPRIATE

If mobile phone access is common among your beneficiaries, mobile versions of videos may be useful to helpful reinforce messages. Given their limited screen size, they are not very useful as the primary way of dissemination. That said, as penetration rates continue to grow, video-enabled mobile phones represent a great opportunity to reinforce messages with individual farmers through mobile video. Mobile phones with built-in pico projectors could be worth considering for field staff if you provide them with mobile phones anyway.

THINGS TO CONSIDER

Before deciding to use mobile phones for dissemination, you will want to consider the following: File format: If you plan to disseminate videos via mobile phone, you will want to make sure that your videos are in a format that is compatible with your beneficiaries’ phones. The most common format is 3GPP (*.3gp file extension). There is free software to convert your videos into this and other formats.

Screen resolution: The most common screen resolution of phones being used by your beneficiaries is likely to be 240 x 320.Videos played in this resolution, especially those teaching agronomic practices, are likely to be of limited value as the sole point of dissemination. If you are already disseminating your videos on a larger screen using another method, providing farmers access to mobile versions of these videos may be useful for reinforcing messages or to summarise key points.

Projector brightness: Many of the built-in projectors are only six lumens, which is not powerful enough to screen videos to a group. As the technology improves and chipsets become smaller, this is certain to change. A few phones, such as the Samsung Beam, have already exceeded 10 lumens. Make sure to check on this before making any purchase.

Total cost: Before you purchase mobile phones with built-in pico projectors, you should do a quick total cost comparison. Is the price of the device less expensive than buying a mobile phone and a pico projector separately? Is the quality of the projector as high as a stand-alone unit? What is the battery life?

ESTIMATED PRICE RANGE

Prices for mobile phones with built-in pico projectors currently range between $150 and $600 depending on the overall quality and features of the phone.

Top

PERIPHERAL DEVICES AND ACCESSORIES

In addition to video and dissemination devices, you will need to consider a number of peripheral devices and accessories that can be used to help enhance your ability to create and share a quality product.

EXTERNAL MICROPHONES

External microphones will allow you to capture better quality audio than an internal camcorder microphone. The most common types of microphones are omnidirectional and directional.

When recording your video, make sure that you turn off any mobile phones in the immediate vicinity. This will reduce your chances of recording any electrical interference with your audio.

Omnidirectional microphones record sound from all directions. They are most commonly found in lavalier microphones, also known as lapel microphones.These are clipped directly onto the lapel of the person you want to record. The benefit of these microphones is that you do not have to worry about pointing them in the right direction. However, they are can be more likely to record background and other ambient noise present when recording. You can minimize this by recording your video in locations without large amounts of background noise (i.e. away from roads, crowds, etc.).

Since the microphone is clipped directly onto an individual, if you are recording more than one person, you may need to move the microphone between speakers for each shot depending on whose audio you want to record. You may find it easier to use a wireless lavalier for these purposes, so that your “actors” can easily hand the lavalier back and forth. If you are using more than one microphone then you should purchase use a small portable sound mixer so that the level of each microphone can be adjusted individually.

You can find low-end lavalier microphones for around $30 to $50, although a better quality wireless lavalier costs closer to $100. Small sound mixers can be found from around $80.

Directional microphones record sound primarily in the direction they are pointing. There are two main types of directional microphones:
Cardioid -meaning they pick up sound in a heart-shaped pattern in front of the microphone, and
Shotgun -meaning they pick up sound almost entirely straight ahead.

Since most directional microphones are not clipped directly on the subject, they will require that your videographer (or preferably an assistant) is constantly pointing them in the direction from which they want to record audio.
They are best used in environments with high background noise, since they are less likely to pick up ambient noise outside of the direction of the microphone than an omnidirectional microphone. For situations when you will be recording in windy conditions, you will want to make sure that the microphone you purchase comes with a windshield to reduce wind noise.

You can find low-end directional microphones with windshields for between $50 and $100. A boom pole costing from $50 also makes it easier for the microphone to be placed nearer the person talking.

Headphones

If the sound being recorded is important to your work then headphones are ESSENTIAL.

Good quality, comfortable headphones are a worthwhile investment, prices start from $20, but it is certainly worth getting the best you can afford – and ones that will stand the rigours of working in the field.

Listening to sound during recording is the ONLY way to be certain that you have recorded good quality sound.

TRIPODS

Tripods are an essential accessory for video production. Although there are techniques that you can use to stabilize your shot without a tripod, there is no replacement for the stability you will get from a tripod.

Decent quality 50 to 60 inch tripods can be found for as little as $20, although it is well worth spending slightly more to get a tripod with a ‘fluid head’, this makes it much easier to adjust the camera so that it is level. Tripods should always have a ‘bubble’ so that you can tell when the camera is level.

You can also find mini tripods for as little as $5, although these are only recommended for indoor shooting when you will have something stable to place them on.

LANC Remote zoom controllers

For those cameras that have a Lanc socket, a remote zoom controller is a very useful investment. Although virtually all videocameras have a zoom control on them, they are often difficult to use smoothly. Remote zoom controllers attach to the handle of the tripod and therefore allow the zoom function to be easily and smoothly controlled. You can also start and stop recording from the buttons on the remote zoom. Prices start from around $30.

SD MEMORY CARDS

If you have purchased a camcorder that has an expandable memory slot, you will want to purchase SD memory cards. Most pocket camcorders have between 32 and 64 gigabytes of expandable memory. Prices of SD memory cards have dropped significantly over the past few years, and you can currently find a 32GB card for about $30-$40 and a 64GB card for $80. Prices will certainly drop in the next few years.

PORTABLE AUDIO SPEAKERS

If you decide to use some kind of projector or a tablet for dissemination, you will probably need to purchase portable audio speakers to amplify the sound, otherwise there is a strong chance that the internal speakers will not be loud enough for everyone to hear. Portable speakers can be found for about $20 to $40 a set. When purchasing speakers, make sure to check what their power source is. If you are somewhere with limited electricity, you will want to purchase speakers with rechargeable and removable batteries so you can replace them with a fresh set if they stop working while you are using them.

Some newer style speakers can be powered from a USB slot in a computer. Always check that the speakers are suitable for the size of audience and the location where you will be using them.

OFF-THE-GRID CHARGERS

Ideally, you should base all of your video production and dissemination activities in an office with access to dependable electricity. That way, even if you are recording or showing videos in villages off the electrical grid, you will still be able to make sure that your batteries and replacements are fully charged before going out. In the event that you expect extended periods of filming or dissemination in locations that are completely off-the-grid, you may want to consider off-the-grid chargers to recharge your devices. The most

likely solution is a solar-powered charger, although you need to be somewhere that receives at least six hours of sunlight a day to benefit from them. A solar charger with enough electrical output to power most of the devices mentioned will cost you about $100 to $150. Do your research before purchasing any off-the-grid chargers, since not all chargers will give you the same actual level of output even in the same price range. Other options are in-car chargers, which are particularly suitable if you are driving long distances.

RECHARGEABLE BATTERIES

Rechargeable batteries are a must, especially if you are working in the field away from electrical outlets. Consider purchasing rechargeable batteries and chargers for any of the devices you plan to purchase for your video activity. Prices vary based on type of battery and manufacturer.

USB EXTENSION CABLE

Some of the pocket camcorders have short USB plugs that are used to connect them to your computer’s USB port .The short length of these plugs can make them difficult to plug in and often puts stress on the camera itself. For about $5 you can purchase a male-to-female USB extension cable to connect your camcorder to your computer without having to ‘hang’ the camcorder directly off of the computer.

PROTECTIVE CASE

While some devices come with protective cases, many do not. Make sure to invest in a protective case — even if only a basic padded cloth one. It will protect your equipment from dust and rain, and reduce the risk of physical damage when you are transporting them. For tablet computers and smart phones, it is sensible to purchase transparent screen protectors.

WIDE-ANGLE LENS

Although not a necessity, you may find that wide angle lenses are useful for establishing a wider field of view when recording your videos. Not all wide-angle lenses work with every camcorder, so you must check compatibility before you buy. You can find a basic wide-angle lens for many of the pocket camcorders from between $25 and $50.

Top

SOFTWARE

To create and disseminate videos, you will need a variety of software programs, including applications for video editing, audio editing, image editing, subtitling, and file conversion. Some programmes do a combination of these.

Since the primary focus here is low-cost video production, this section includes information on free software examples. Each of these programmes meets a minimum threshold for quality and is easier or, at least, as easy to use as its commercial counterparts.

Commercial software programs often offer more robust features than free options. For the most part, however, the difference is only noticed by more advanced users. If there are any features that you cannot find from freely available software, you can consider purchasing a commercial programme to address those needs. Since computers using the Windows operating system are most common, this section will only highlight programs that are Windows compatible.

If you are new to using these types of programmes, search the specific programme websites for video tutorials that you can watch. If nothing is available on their websites, try searching for user-created tutorials on YouTube or Vimeo.

Structured software training videos can be found at a number of websites including:

www.creativecow.net www.lynda.com www.larryjordan.com

Access is normally based on subscriptions, although some training is usually available for free. Creative Cow also provides a large resource of information and forums on specific aspects of video production, software and hardware.

Remember to always check the technical requirements for any programme you are considering using so you can be sure it will run properly on your computer. Some of these programmes -especially video editing software -can be demanding, so you make sure that you have a computer powerful enough to run it. If not, you will need to purchase a computer that at very least meets the minimum requirements for the software programme in question.

VIDEO EDITING

If you are using a pocket camcorder, many of them already come pre-loaded with some video editing software. They are generally extremely basic and allow for simple clip editing and limited transitions. For more robust features, consider using Windows Movie Maker. It is free, easy to use, comes pre-installed on all computers running Windows XP service pack 2, and has a number of useful features. If you are using Windows Vista or 7, you can download a newer version called Windows Live Movie Maker online at http://explore.live.com/windows-live-essentials-movie-maker-get-started.

However, Movie Maker is not without its problems. It is known to ‘freeze’ on occasion and it is unable to use some video formats. The tell-tale sign that you are using a video format or codec1 incompatible with Movie Maker is when you go to save your final product, the time remaining just keeps counting upwards. This can be extremely frustrating if you have finished editing your video only to find out that Movie Maker is unable to create a master. A good way to avoid this is to place one of your clips into the Movie Maker timeline and then select ‘Save Movie File.’ If it is able to successfully process your request and save a new movie, then you know that the file format of your videos clips is compatible.

More advanced users may be interested in experimenting with more professional programmes such as Lightworks, a fully featured video editor. It is free to use, although access to the professional version with more features is available for $60 per year. Specific software support can also be purchased. More information on Lightworks can found be on their website at http://www.lwks.com

One of the most commonly used professional video editing programmes is Adobe’s PremierePro. It has a fairly high technical specification for the computer, so it is essential to check that your computer is suitable to run the software. Further information can be found at www.adobe.com/products/premiere

One reason why this software is so popular is its close integration with other Adobe products, including Photoshop. PremierePro comes complete with advanced software for creating DVD’s called Encore. This programme is very powerful and can be used to create multi-programme, multi-language DVDs. Programmes for creating simple DVDs are often included with software for cameras or other editing programmes.

If your computers are not powerful enough to run a full-feature video editor, but you have a fast internet connection there are other options such as: WeVideo: an online video editing platform -www.wevideo.com

As long as your internet connection is stable and fast enough to upload your video clips, you can use WeVideo to edit your videos in the cloud—meaning you can also collaborate on editing videos with staff in other locations. The basic user package is free to use, so you can try it out first before deciding if you want to subscribe to a monthly or annual plan for more frequent use.

To learn more about other potential options, a useful website for video editing software comparisons and ratings is FindTheBest:

http://video-editing.findthebest.com

It currently has information on more than 65 video editing programmes

A codec is software that enables video players to encode/decode digital videos.

AUDIO EDITING

If you choose to use Windows Movie Maker or another basic-feature video editing program, your options for audio editing within those programs will be limited. Should you want to do any substantial audio editing or recording to add to your video for voiceovers or dubbing, you will need to use an audio editing program. One of the most robust and user-friendly free versions currently available is called Audacity.
It can be downloaded online at: www.audacity.sourceforge.net

You can also create your own podcasts using Audacity, which can be distributed to local radio stations or community centres. Radio programming can be used to complement and reinforce messages that you are disseminating via video.
You can either create new content related to your video content, or you can use the audio of your video programme on radio. Export the audio as WAV or mp3 files.

IMAGE EDITING

Image editing software can be an optional part of the video production process. You will need image- editing software if you want to create graphics or manipulate photographs to use in your video. Most PC computers come with free software called Paint, it is a simple but very useful tool for manipulating visual images. Another robust and free programme is called GIMP (the GNU Image Manipulation Program). It can be downloaded online at www.gimp.org

There are a number of professional software programmes for image editing. The most commonly used one is Adobe’s Photoshop.

DUBBING and SUBTITLING

Subtitling, where the translation of a programme is placed on the screen in a written format has the major disadvantage of presuming that your audience can read. For this reason most language versions of agricultural programmes are dubbed into another language so that the voice over (and any interviewees talking) are replaced with the new language. This is most easily achieved using video editing software. Accurate translation and timing of the new voice is essential.

Subtitling videos can be a time-consuming process, since it requires someone entering the dialogue (or a translation of the dialogue) manually. There are programmes that make this process easier. Aegisub is one example of a free subtitle editor. It can be downloaded online at www.aegisub.org The type of subtitling used by Aegisub is called softsubbing as the subtitle files are separate from the video. The disadvantage of softsubbing is that it relies on the playback device to play the subtitles. Subtitle files from Aegisub are compatible with YouTube, once you upload your video onto YouTube, you upload the subtitle file under the Captions section. The process of hardsubbing, or encoding the subtitles directly onto your video film, is more complicated, you can find resources on how to do hardsubbing online.

FILE CONVERSION

As there is unfortunately no uniform file format for video files, you may find that your camcorder’s output is in a file type that you cannot use with your video editing software, or that your video editing software’s output is not compatible with your projector. There are a large number of free programs that can convert files from one format to another. One programme that works well is called Format Factory. It can be downloaded online at: www.formatoz.com

Top

ক্যাটাগরিসমূহ

Designed & Built by Adaptive - The Drupal Specialists