ব্লগ

RSS

  • Thursday, July 30, 2020 - 7:24am

    মায়ানমারের জনগোষ্ঠীর প্রায় ৭০ শতাংশ কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। ‘হেলভেটাস’ একটি সুইস উন্নয়ন সংস্থা। সম্প্রতি এই সংস্থাটি মিয়ানমারের কৃষক কমিউনিটিগুলোর জীবনমান উন্নয়ন এবং সামর্থ্য বাড়ানোর জন্য অ্যাকসেস এগ্রিকালচার-এর ‘কৃষক থেকে কৃষক’ ভিডিওগুলোর মধ্য থেকে ৩০টি ভিডিও বারমিজ ভাষায় অনুবাদ করার জন্য অনুমোদন দিয়েছে। বলে রাখা ভালো, বারমিজ ভাষা হলো মিয়ানমারের দাপ্তরিক ভাষা।
      

    ইতোমধ্যে এই ৩০টি ভিডিও বারমিজ ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে এবং অনলাইনে অ্যাকসেস এগ্রিকালচার-এর ভিডিও প্ল্যাটফর্ম (...

    More

  • Thursday, July 30, 2020 - 6:30am

    আমার দেখায় সবচেয়ে সুখী শুকরদের আবাস হোল বলিভিয়ান চাকো এলাকায়, দেশের  দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে অর্ধ শুষ্ক নিম্নভূমি এলাকায় | গ্রামবাসীরা প্রতিদিন তাদের শূকরগুলোকে ছেড়ে দেয়  চরে বেড়ানোর জন্য । স্থানীয় প্রজাতির এই শক্তিশালী  শূকরগুলোর দল বেঁধে ঘুরে বেড়ায়, পথের বর্জ্য খায়,  ফসল তোলা হয়ে গেছে এমন ভুট্টার ক্ষেতের  অথবা বনের অবশিষ্টাংশ খুঁজে বেড়ায় ।  দিন শেষে তারা অধীর আগ্রহ নিয়ে বাড়ির পথে পা বাড়ায় ‘লাওয়া’ ভরা পাত্রের উদ্দেশ্যে, যা ভুট্টা থেকে বানানো পাতলা স্যুপ যা তাদের মালিকেরা তাদের জন্য রান্না করে রাখত। তারপর শূকরগুলোকে...

    More

  • Saturday, July 4, 2020 - 3:51pm

    এগ্রোইকোলোজির চেয়ে করপোরেট কৃষির প্রতিই সরকারগুলো প্রায়শই বন্ধুভাবাপন্ন হয়। ফলে অন্ধ্র প্রদেশ কমিউনিটি ম্যানেজড ন্যাচারাল ফার্মিং(এপি-সিএনএফ), পূর্বে এপি জেডবিএনএফ নামে পরিচিত ছিল, কর্মসূচিটি মুক্ত বায়ু সেবনের মতো। এপি-সিএনএফ-এর ওয়েবসাইটে কর্মসূচিটি সম্পর্কে বলা হয়েছে, “কৃষিতে এটি সবচেয়ে নতুন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, এবং একইসাথে এটি ভারতীয় ঐতিহ্যের শেকড়ের সাথে ঘনিষ্ঠ”। ‘এপি-সিএনএফ’ ৬০ লাখ কৃষকের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

    এপি-সিএনএফ জমিতে কোনো রাসায়নিক অথবা বাইরের কৃষি উপকরণ প্রয়োগ করে না। ফলে সে-সব কেনার জন্য তাদের কোনো খরচ হয় না, যাকে ‘শূন্য...

    More

  • Sunday, June 28, 2020 - 10:21am

    ২৭ বছর বয়সী নীরাজ কুমার যখন অ্যাকসেস এগ্রিকালচার ‘তরুণ উদ্যোক্তা চ্যালেঞ্জ ফান্ড ২০১৯’-এর ঘোষণার কথা শোনেন, তিনি দারুণ আগ্রহী হযেছিলেন এটা জেনে যে, বিজয়ীরা পুরস্কার হিসেবে বহনযোগ্য ডিজিসফ্ট স্মার্ট প্রজেক্টর পাবেন। নীরাজ কুমার পূর্ব-ভারতের রাজ্য বিহারের দুরদিহ গ্রামে অবস্থিত ক্ষেতি নামে একটি এনজিও’র সহ-প্রতিষ্ঠাতা।

    যে বিষয়টি নীরাজ কুমারকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করেছিল, তা হলো প্রজেক্টরটিতে ৮০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ভাষায় এগ্রোইকোলোজি এবং গ্রামীণ উদ্যোগের উপর ২০০টিরও বেশি অ্যাকসেস...

    More

  • Tuesday, June 23, 2020 - 7:28pm

    বেনিনের মরি গৌরবেরা, তানজানিয়ার বোয়াজি উইনস্টন এবং ভারতের নীরজ কুমার- এরা তিনজন বিকাশমান উদ্যোক্তা। যদিও তারা ভিন্ন ভিন্ন সাংস্কৃতিক, সামাজিক এবং শিক্ষাগত পটভূমি থেকে এসেছে, তবুও তারা সাধারণ একটি সূত্রে পরস্পর নিবিড়ভাবে আবদ্ধ।

    এই তিন জনের সবাই আফ্রিকা ও এশিয়াজুড়ে অনুরাগী তরুণ উদ্যোক্তাদের একটি নেটওয়ার্কের অংশ, যারা নিজেদের দেশের বিভিন্ন স্থানীয় ভাষায় ‘অ্যাকসেস এগ্রিকালচার’ প্রশিক্ষণ ভিডিওগুলো পর্দায় দেখানোর জন্য উদ্ভাবনী ও টেকসই ব্যবসায়িক মডেল হিসেবে এক একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।   

    তাদের লক্ষ্য কেবল নিজেদের ব্যবসায়কে লাভজনক করা নয়, বরং এই...

    More

Designed & Built by Adaptive - The Drupal Specialists